হঠাৎ করে মানবদেহে রক্ত কণিকার প্রয়োজনীয়তার কথা আমার মনে পড়ল। আমাদের দেহে যে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে তাতে দু’ধরনের রক্ত রয়েছে; একটি হলো লোহিত কণিকা এবং অপরটি হলো শ্বেত কণিকা। লোহিত কণিকাকে ইরিথ্রোসাইটসও বলা হয়। এর কাজ হচ্ছে সারা শরীরে অক্সিজেন ছড়িয়ে দেয়া এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইড থেকে শরীরকে মুক্ত রাখা। এই কণিকাগুলোর মধ্যে কোন নিউক্লিয়াস নাই এবং তারা ১২০ দিন বেঁচে থাকে। পক্ষান্তরে শ্বেত কণিকার কাজ হচ্ছে ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া থেকে শরীরকে সুরক্ষা প্রদান করা যাতে করে রোগ-ব্যাধি আক্রমণ করতে...
সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
রাষ্ট্র পরিচালনায় মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও রাজনীতিবিদদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শুধু রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রেই নয়, তাদের সামাজিক ও ব্যক্তিগত আচার-আচরণের প্রতিও লক্ষ্য রাখে দেশের জনগণ। জনগণ চায় তারা হবেন কর্তব্যপরায়ণ, নীতিনিষ্ঠ ও সুন্দর আচরণের ধারক। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও রাজনীতিবিদরা শুধু জনগণের আশা-আকাক্সক্ষা পূরণেই ব্যর্থ হননি, হতাশ হওয়ার মতো উদাহরণও সৃষ্টি করেছেন। এমন উদাহরণ জাতির জন্য লজ্জাকর। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ প্রতিদিনের গত ২৯ সেপ্টেম্বরের একটি খবরের কথা...
গাজীপুর নির্বাচনে আওয়ামী
লীগ তথা ১৪ দলীয় প্রার্থীর পরাজয়ের পর পত্রপত্রিকায় এবং টেলিভিশনের টকশোতে এ
নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। তবে সব আলোচনাকে টেক্কা মেরেছে আওয়ামী লীগ দলীয়
তরুণ এমপি গোলাম মাওলা রনির মন্তব্য। তিনি তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘কোথায় আমাদের দলীয় আমলরা ও পুলিশ কর্মকর্তারা, যারা আমাদের জয়ের স্বপ্ন দেখাত?
কোথায় আমাদের তথাকথিত চামচারা, যারা বলত, সব কিছু ঠিক আছে? গাজীপুরে জয়
নয়, সম্মানজনক পরাজয়টুকু কেন পেলাম না? প্রার্থী আজমত উল্লাহর কী দোষ ছিল?
কেন গাজীপুরে গেলেন না...
পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর একটি ভাষণের নাকি রেকর্ড করা ভাষণ পাকিস্তানের কাছে ছিল না।
তাই পাকিস্তান অনেক দেনদরবার করে আকাশবাণীর মহাফেজখানা (আর্কাইভ) থেকে ওই ভাষণ
সংগ্রহ করেছে। বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় দৈনিকে খোলা চোখ কলামে নিউ ইয়র্কের হাসান
ফেরদৌস একটি কলাম লিখেছেন, যা ২১ সেপ্টেম্বর প্রকাশ
হয়েছে। ১৯৪৭ সালের ১১ আগস্ট জিন্নাহ পাকিস্তানের গণপরিষদে ভাষণটি দিয়েছিলেন।
স্বাধীন সার্বভৌম পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এসেছে ১৪ আগস্ট। একই
ঘোষণা স্বাধীন সার্বভৌম ভারতের জন্য ১৫...
রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
উন্নয়নের লম্বা লম্বা ফিরিস্তি দিয়ে বেড়াচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিদ্যুৎ সেক্টর নিয়ে তার গর্বের সীমা নাই। এই খাতে নাকি দুর্দান্ত উন্নতি হয়েছে। এই উন্নতি কি দুর্দান্ত? নাকি ভয়াবহ? সেটি দেখবার বিষয়। শেখ হাসিনার রাজত্বের ৪ বছর ৯ মাস পার হয়ে গেলো। আর মাত্র ৩ মাস সময় আছে তার হাতে। অর্থাৎ তার রাজত্বের মেয়াদও প্রায় শেষ। এখন তার সেই তথাকথিত উন্নয়নের হিসাব নিকাশ নেয়ার সময় এসেছে। বিদ্যুৎ দিয়ে তিনি যদি দেশকে সয়লাব করেই থাকেন তাহলে খোদ ঢাকার বুকে এই ধানমন্ডিতে কেন দিনে ৩ বার লোডশেডিং...
রাজনীতিতে কোন কাজটি এখন এ
মুহূর্তে করতে হবে এবং কোনটির জন্য করতে হবে অপোÑ
এটি নির্ধারণ করা অপরিহার্য। জাতীয় নির্বাচন আর মাত্র কয়েক
সপ্তাহ বাকি। প্রধানমন্ত্রী সংবিধান থেকে ‘এক চুলও নড়ব
না’ বলে তার নির্বাচনী কার্যক্রম পুরোদমে চালিয়ে
যাচ্ছেন; কিন্তু বিরোধী দলের রাজনীতি
হয়ে আছে এলোমেলো ও দ্বিধাবিভক্ত। এ অবস্থায় কোনো দাবি আদায় অসম্ভব ব্যাপার।
আওয়ামী লীগের মতো দলের কাছ থেকে রাজনৈতিক সুবিধা আদায় করতে হলে ঐক্যবদ্ধ
প্রয়াসের কোনো বিকল্প নেই। এ ল্েয জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ
হতে...
দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক
প্রোপট বিবেচনা করে এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো একটি সভ্য দেশে দীর্ঘ প্রবাস যাপনের
অভিজ্ঞতার আলোকেই লেখাটি লিখছি। গত ৭ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ায় জাতীয় নির্বাচন
অনুষ্ঠিত হলো। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনের আগে ও পরে পুরো অস্ট্রেলিয়ায় একজন
নাগরিক খুন হওয়া তো দূরের কথা, কোথাও কোনো
হানাহানির ঘটনা শুনিনি। শোনা যায়নি একদলের কর্মী অন্য দলের কর্মীকে হুমকি-ধমকি
দিতে। ছিল না কোনো ভোটকেন্দ্র দখল বা পুলিশি অ্যাকশানের ঘটনা। এমনকি দেখা যায়নি
কোনো পাবলিক স্পটে মিছিল, মিটিং বা মাইকিং...
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)