রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০১৫

৫ জানুয়ারি ঘিরে অনিশ্চয়তা : সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়লে ভ্রুকুঞ্চন কেন?


আগামী ৫ জানুয়ারি সোমবার দেশে বিশেষ করে ঢাকায় কি কোনো বড় ধরনের রাজনৈতিক অঘটন ঘটবে? বিষয়টি প্রশ্নবোধক করলাম এই জন্য যে, যখন এই লেখাটি লিখছি তখন ২ জানুয়ারি শুক্রবার। এখনও তিন দিন বাকি আছে। আওয়ামী লীগ এই দিনটিকে গনতন্ত্র দিবস হিসেবে পালন করছে। আর বিএনপি’র নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট এটিকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করছে। গত ২১ ডিসেম্বর গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে জনসভা করার জন্য বিএনপি পুলিশের নিকট থেকে অনুমোদন চেয়ে লিখিত আবেদন করেছে। আজ (শুক্রবার) ১২ দিন হয়ে গেলো, পুলিশ কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি। গত ১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার আবদুল আউয়াল মিন্টু, জয়নাল আবেদীন ফারুক এবং জনিসহ তিনজন বিএনপি নেতা অনুমতি সম্পর্কে খোঁজ খবর নেয়ার জন্য পুলিশের কাছে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে তারা কোনো সদুত্তর পাননি। তাদের সাথে কথা বলেন ঢাকা মেট্রপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) এ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার। তিনি বলেন যে, ডিএমপির নবনিযুক্ত কমিশনার ঢাকার বাইরে গেছেন। এ ব্যাপারে তিনিই সঠিক তথ্য দিতে পারবেন। সুতরাং তার ফিরে আসা পর্যন্ত বিএনপিকে অপেক্ষা করতে হবে। ২ জানুয়ারি দুপুর পর্যন্ত যে খবর পাওয়া গেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে, বিএনপি তখন পর্যন্ত মিটিংয়ের পারমিশন পায়নি। সুতরাং এই মুহূর্তে এই ব্যাপারে আর বেশি কিছু লেখা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
যদি অনুমতি দেয়া হয় তাহলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি হবে এক রকম। আর যদি অনুমতি দেয়া না হয় তাহলে পরিস্থিতি হবে ভিন্ন রকম। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন যে, তারা সরকারের অনুমতির তোয়াক্কা করবেন না। সরকার অনুমতি দিক বা না দিক, ৫ ই জানুয়ারি বিএনপির সমাবেশ হবেই। যে কোনো মূল্যে এই সমাবেশ অনুষ্ঠান করা হবে। একই কথা বলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মইন খাঁন। গত ২ জানুয়ারি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তিনি বলেছেন, অনুমতি দেয়া না দেয়া সরকারের ব্যাপার, আমাদের ব্যাপার নয়। আমরা সমাবেশ করবোই। পর্যবেক্ষক মহল বলেন যে, সরকার যদি অনুমতি দেয় তাহলে দিনটি মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবেই অতিবাহিত হবে। আর যদি অনুমতি না দেয় তা হলে সংঘর্ষ হতে পারে। সেই সংঘর্ষ কত ব্যপক এবং ভয়াবহ হবে সেটা এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না।
এই লেখা যখন লিখছি তখন অর্থাৎ শুক্রবার অপরাহ্নে একটি অনলাইন পত্রিকায় খবর দেখা গেল যে, সরকার নাকি বিএনপিকে সভার অনুমতি দেয়ার চিন্তা ভাবনা করছে। তিনি আরও বলেন যে, বিএনপির এই সমাবেশ উপলক্ষে সন্ত্রাস এবং সহিংসতা হবে কিনা সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদি সন্ত্রাস ও সহিংসতার আশংকা থাকে তাহলে অনুমতি দেয়া হবে না। আর যদি আশংকা না থাকে তাহলে অনুমতি দেয়া যেতে পারে। খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ২ জানুয়ারি বলেছেন যে, যতক্ষণ পর্যন্ত তারেক রহমান শেখ মুজিব সম্পর্কে যে উক্তি করেছেন সেটি প্রত্যাহার না করেন, অথবা তার মাতা খালেদা জিয়া দল থেকে তাকে বহিস্কার না করেন ততদিন পর্যন্ত বাংলাদেশের কোথাও খালেদা জিয়াকে মিটিং করতে দেয়া হবে না।
বিএনপিকে ৫ জানুয়ারি জনসভা করতে দেয়ার অনুমতি প্রদান যেহেতু এখন পর্যন্ত অনিশ্চিত তাই এই মুহূর্তে এর চেয়ে বেশি আর লেখা সম্ভব হচ্ছে না। সেজন্য আজ আমরা অন্য প্রসংঙ্গে যাবো। তবে আগামীকাল অর্থাৎ ৩ জানুয়ারির মধ্যে অনুমতির খবর সরকারিভাবে ষোষিত হলে সেটিও আমরা এই কলামে উল্লেখ করবো। তবে বিএনপি যে ৫ জানুয়ারির সমাবেশ সম্পর্কে সিরিয়াস তার একটি প্রমাণ পাওয়া গেলো। গত ২ জানুয়ারি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রদল এক জন সমাবেশের আয়োজন করেছিল। সেই সমাবেশে প্রধান অতিথি থাকার কথা ছিল বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রদলের এই সমাবেশের অনুমতিও দিয়েছিল ডিএমপি। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বিভিন্ন বিবেচনায় এই সমাবেশটি বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রধান বিবেচ্য বিষয় ছিল ৫ জানুয়ারি বিএনপির সমাবেশ। এই সমাবেশে বিপুল জনসমাগমের জন্য ছাত্রদলের ২ তারিখের সমাবেশ বাতিল করা হয়েছে।
দুই
এখন আমরা আলোচনা করবো সরকারি অফিসার ও কর্মচারী এবং সামরিক বাহিনীর অফিসার ও কর্মচারী- এই দুটি সার্ভিসের বেতন কাঠামো সম্পর্কে। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারি এবং স্বায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা বৃদ্ধি সম্পর্কিত পে-কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। অন্যদিকে গত বৃহস্পতিবার ১ জানুয়ারি সামরিক বাহিনীর তিন সার্ভিসের বেতন বৃদ্ধি সম্পর্কিত পে-কমিশনের রিপোর্টও প্রকাশিত হয়েছে। সামরিক ও বেসামরিক অফিসার ও কর্মকর্তাদের প্রস্তাবিত বেতন বৃদ্ধির বেলায় একাধিক ক্ষেত্রে অদ্ভুত সামঞ্জস্য লক্ষ্য করা গেছে। উভয় ক্ষেত্রেই কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণকে ১৬টি গ্রেডে ভাগ করা হয়েছে। বেসামরিক সার্ভিসের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা হলেন মন্ত্রী পরিষদ সচিব এবং প্রধান মন্ত্রীর মূখ্য সচিব। এদের মূল বেতন প্রস্তাব করা হয়েছে ১ লাখ টাকা। দ্বিতীয় স্তরে রয়েছেন সিনিয়র সচিব। এদের মূল বেতন প্রস্তাব করা হয়েছে ৮৮ হাজার টাকা। মন্ত্রী পরিষদ সচিব, মূখ্য সচিব এবং সিনিয়র সচিবরা ঐ ১৬টি গ্রেডের বাইরে। অনুরূপভাবে সেনাবাহিনীর প্রধান হলেন জেনারেল। দ্বিতীয় স্তরে রয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল। জেনারেলের মূল বেতন হলো ১ লক্ষ টাকা এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেলের মূল বেতন হলো ৮৮ হাজার টাকা। নতুন বেতন স্কেলে সর্বনি¤œ গ্রেড হলো ১৬ নম্বর গ্রেড। এই গ্রেডের মূল বেতন হলো ৮ হাজার ২’শত টাকা। সামরিক বাহিনীতে ১৬ নম্বর গ্রেডে রয়েছে অফিস সহকারী। তার মূল বেতন ৮ হাজার ২’শত টাকা। সিনিয়র সচিব এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেলকে সমমর্যাদাভুক্ত করা হয়েছে। উভয়ের মূল বেতন ৮৮ হাজার টাকা। আসলে বেসামরিক সার্ভিসে গ্রেডেশন শুরু হয়েছে সচিব থেকে। তার প্রস্তাবিত মূল বেতন ৮০ হাজার টাকা। সেনা বাহিনীতেও এই গ্রেডেশন শুরু হয়েছে মেজর জেনারেল থেকে। তার মূল বেতন ৮০ হাজার টাকা।
বেসামরিক সার্ভিসে বর্তমানে রয়েছে ২০টি গ্রেড। সেই গ্রেড কমে এখন হবে ১৬টি। অনুরূপভাবে সামরিক বাহিনীতেও গ্রেড হলো ১৬টি। এসব গ্রেডের নাম হলো : (১) মেজর জেনারেল (২) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (৩) কর্নেল (৪) লেফটেন্যান্ট কর্নেল (৫) মেজর (৬) ক্যাপটেন (৭) লেফটেন্যান্ট (৮) সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট (৯) মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার (১০) সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার (১১) ওয়ারেন্ট অফিসার (১২) সার্জেন্ট (১৩) কর্পোরাল (১৪) ল্যান্স কর্পোরাল (১৫) সৈনিক (১৬) অফিস সহকারী।
নতুন বেতন স্কেল ১ জুলাই থেকে কার্যকর করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। দেশে বর্তমানে সরকারি এবং আধা সরকারি (স্বায়ত্বশাসিত) প্রতিষ্ঠানে রয়েছেন মোট ২২ লক্ষ অফিসার ও কর্মচারী। বেসামরিক ক্ষেত্রে নতুন স্কেল বাস্তবায়নে প্রয়োজন হবে ২০ হাজার কোটি টাকা। ২০১৩ সালের ১ জুলাই থেকে তাদেরকে ২০ শতাংশ হারে মহার্গ ভাতা দেয়া হচ্ছে। নতুন স্কেল বাস্তবায়িত হলে মহার্গ ভাতা বিলুপ্ত হবে। সামরিক বাহিনীর ক্ষেত্রে সেনা বাহিনীর বেতন বাস্তবায়নে খরচ হবে ৫ হাজার ৫’শত ২২ কোটি টাকা। নৌ বাহিনীর জন্য প্রয়োজন হবে ৯’শত ২১ কোটি টাকা। বিমান বাহিনীর জন্য প্রয়োজন হবে ৬’শত ১৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখার জন্য অতিরিক্ত খরচ হবে ৭ হাজার ৬২ কোটি টাকা।
তিন
নতুন পে-স্কেল নিয়ে কোনো কোনো মহলে ইতিমধ্যেই  ভ্রুকুঞ্চন শুরু হয়েছে। বলা হচ্ছে যে, এই স্কেল বাস্তবায়িত হলে দেশে নাকি মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেবে এবং জিনিস পত্রের দাম দারুণভাবে বেড়ে যাবে। অনেকদিন ধরেই এই রকম একটি ভ্রান্ত ধারণা দেশে প্রচলিত আছে। এর কারণ হলো, মোট জনগোষ্ঠির তুলনায় সরাকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশ সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা হলো ১৬ কোটি। বিশুদ্ধ সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সংখ্যা হলো ১৪ লাখ। অর্থাৎ তারা মোট জনসংখ্যার মাত্র ১.৩৭ শতাংশ। বিশুদ্ধ সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে যদি আধা সরকারি অফিসার ও কর্মকর্তাদের সংখ্যা যোগ হয় তাহলে তাদের সংখ্যা দাঁড়াবে ২১ লাখ (১৪+৭ লাখ)। অর্থাৎ দেশের সমস্ত সরকারি ও আধা সরকারি অফিসার ও কর্মচারির অংশ মোট জনসংখ্যার মাত্র ৪.৪ শতাংশ। ১.৩ শতাংশ কিংবা ৪.৪ শতাংশ মানুষের বেতন বৃদ্ধি পেলে সেটি অবশিষ্ট ৯২ শতাংশ অথবা ৯৫ শতাংশ জনগোষ্ঠির ওপর কিভাবে প্রভাব ফেলে, সেটি বোধগম্য নয়। বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে এখন যে বেতন দেয়া হয় সেটি সরকারি খাতের অফিসারদের বেতনের চেয়ে অনেক বেশি। ব্যাংকের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক বা এমডির বেতন মাসিক ৭ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা। আমাদের মন্ত্রী পরিষদ সচিব, মূখ্য সচিব, সিনিয়র সচিব, জেনারেল ও লেফটেন্যান্ট জেনারেলদের বেতন ৭ লাখ থেকে ১০ লাখ হতে কম করে হলেও ৩০ বছর লাগবে। কারণ বেসামরিক কর্মচারীদের নতুন স্কেল ঘোষণার সময় কমিশন প্রধান ড. ফরাস উদ্দিন বলেছেন যে, কর্মচারী এবং কর্মকর্তাদের বেতন দ্বিগুণ হতে সময় লাগবে অন্তত ১৫ বছর। তাহলে চুতুর্গুণ বা পাঁচগুণ হতে কত সময় লাগতে পারে সেটি একবার ভেবে দেখুন।
এমডির কথা না হয় বাদই দিলাম। এখন প্রাইভেট সেক্টরে যে কোনো সিনিয়র অফিসার ভাতাসহ মোট বেতন পান ২ লাখ টাকারও বেশি। ৫ বছর আগে এম. এ পাস করা একজন তরুণ ব্যাংকে বা অন্য কর্পোরেট চাকরিতে কম করে হলেও ১ লাখ টাকা বেতন পাচ্ছে। আমার আত্মীয় স্বজন এবং জানা শোনাদের মধ্যে অনেক তরুণ এবং যুবক এখন লক্ষ টাকা বেতন পায়। দেশে বর্তমানে রয়েছে ৫৬টি ব্যাংক এই ৫৬টি ব্যাংকে কত হাজার মানুষ কাজ করে, একবার ভেবে দেখুন। তারা কি শুধুমাত্র বেশি বেতনই পান? সাধারণ মানুষকে যেখানে ফ্ল্যাট ক্রয় বা গাড়ি ক্রয়ের জন্য ১৪ থেকে ১৬ শতাংশ সুদের হারে ঋণ নিতে হয় সেখানে ব্যাংকের অফিসার ও কর্মচারীরা মাত্র ৩ শতাংশ সুদে ঋণ পায়। এরা যে মোটা বেতন পান সেক্ষেত্রে কিন্তু কারো ভ্রু কোঁচকায় না। যত ভ্রুকুঞ্চন শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীদের বেলায়। বিসিএস এন্ট্রি লেভেলে মূল বেতন ধরা হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। এটি কি খুব বেশি?
সবশেষে একটি কথা বলবো। সেটি হলো, কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন সংশোধিত হয়েছে ২০০৯ সালে। তারপর পুরো ৫টি বছর পার হয়ে গেছে। এর মধ্যে তো তাদের বেতন আর বাড়েনি। কিন্তু এর মধ্যে প্রায় প্রতিটি জিনিসের দাম ৪ থেকে ৬ গুণ বেড়ে গেছে। ৫ টাকার রিকশা ভাড়া হয়েছে ২৫ টাকা। ৫০ টাকার সিএনজি ভাড়া হয়েছে ২০০ টাকা। ডাক্তারদের ফি ৩০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১ হাজার টাকা। ২০ টাকার এ্যান্টি বায়োটিকের দাম হয়েছে কম করে হলেও ৫০ টাকা। যেখানে হাত দেবেন সেখানেই আগুন। বিগত ৫ বছর ধরে জিনিসপত্রের দাম যে ৪/৫ গুণ বাড়লো তার জন্য কি কারো নতুন পে-স্কেলের জন্য বসে থাকতে হয়েছিল? যারা বাড়াবার তারা দাম বাড়াবেই, সে আপনি নতুন পে-স্কেল দেন বা না দেন, তাতে কিছু আসে যায় না। সেক্ষেত্রে বেচারা সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা- তাদেরকে আর বছরের পর বছর ধরে কম বেতনে রাখবেন কেন?
পুনশ্চ: এই লেখাটি দৈনিক ‘সংগ্রামে’ ই-মেইল করছি শনিবার বেলা ৪টায়। বেলা ৪টা পর্যন্ত বিএনপি তথা ২০ দল আগামীকাল ৫ জানুয়ারি সোমবার সভা করার অনুমতি পায়নি। বরং ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আলম হুংকার দিয়েছেন যে, বাংলাদেশের এক ইঞ্চি জমিতেও খালেদা জিয়াকে সভা করতে দেয়া হবে না। শেখ মুজিবকে নিয়ে তারেক রহমানের উক্তির প্রতিবাদে গাজীপুরের পর এবার ঢাকাতেও বিএনপিকে সমাবেশ করতে না দেয়ার হুমকি দিল ছাত্রলীগ। তবে এর আগে খালেদা জিয়াকে শুধু গাজীপুরে সমাবেশ করতে না দেয়ার হুমকি দিলেও এবার বাংলাদেশের কোথাও বিএনপিকে সমাবেশ করতে দেয়া হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে আওয়ামী লীগের এ ছাত্র সংগঠন। শনিবার ছাত্রলীগের ৬৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত র‌্যালিপূর্ব এক সমাবেশে সংগঠনটির সাধারণ স¤পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম বলেন, শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে দেয়া বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে এবং তারেক রহমান ক্ষমা না চাইলে বাংলাদেশের এক ইঞ্চি জায়গাতেও সমাবেশ করতে পারবে না বিএনপি।
আসিফ আরসালান

0 comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Ads