শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬

জটিলতা সৃষ্টির কার্যক্রম


প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে যে বিতর্কের সূচনা হয়েছিল তার ডালপালার বিস্তার এখনো চলছে। পাঠকদের নিশ্চয়ই মনে পড়বে, প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গত ১৭ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বাণীতে তিনি বলেছিলেন, ‘কোনো কোনো বিচারপতি রায় লিখতে অস্বাভাবিক দেরি করেন। আবার কেউ কেউ অবসর গ্রহণের দীর্ঘদিন পর পর্যন্ত রায় লেখা অব্যাহত রাখেন, যা আইন ও সংবিধান পরিপন্থী।’ তার এই মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় তুলেছে। মন্তব্যের পক্ষে- বিপক্ষে দৃশ্যপটে এসেছেন অনেকেই। উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও এ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম থেকে ‘মোড়ল’ সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত পর্যন্ত আওয়ামী ঘরানার সকলে মাননীয় প্রধান বিচারপতিকে ‘এক হাত’ নেয়ার চেষ্টা করেছেন। তারা বলেছেন, অবসর গ্রহণের পর রায় লেখা যাবে না- এমন কোনো নির্দেশনা সংবিধানের কোথাও লেখা নেই। লক্ষণীয় বিষয় হলো, অবসর গ্রহণের পর রায় লেখা যাবে- এমন কোনো নির্দেশনাও কিন্তু সংবিধানের কোথাও নেই। অন্যদিকে আওয়ামী ঘরানার নেতা ও বিশিষ্টজন বলেই যুক্তি ও আইনের তোয়াক্কা করেননি তারা। শুধু তা-ই নয়, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত তো বিচারপতি সিনহাকে জ্ঞান পর্যন্ত খয়রাত করেছেন। ২৫ জানুয়ারি এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, প্রধান বিচারপতির উচিত মুখ সামাল দিয়ে কথা বলা! অন্যদিকে বিচারপতি এস কে সিনহা কিন্তু নিজের অবস্থান থেকে একচুল পরিমাণও সরে যাননি। তিনি বরং আরো কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। ২৩ জানুয়ারি মৌলভীবাজারে জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সভায় দেয়া ভাষণে বলেছেন, কাউকেই আইন ও সংবিধান পরিপন্থী কাজ করতে দেয়া হবে না।
এদিকে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী ও নাগরিক সমাজের পাশাপাশি আইনাঙ্গনেরও বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে বিচারপতি সিনহার সিদ্ধান্তমূলক মন্তব্যের প্রতি সমর্থন জানানো হয়েছে। আলোচনায় প্রাধান্যে এসেছে কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে দেয়া রায়টি, যে রায়ে স্বাক্ষর করেছিলেন পূর্ববর্তী প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক। একই সঙ্গে প্রাসঙ্গিক কিছু ‘ঐতিহাসিক’ তথ্যও স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে। যেমন, কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে দেয়া রায়টি প্রথমে ‘সংক্ষিপ্ত আদেশের’ আকারে ঘোষণা করা হয়েছিল ২০১১ সালের ১০ মে। এর সাতদিনের মধ্যেই অবসরে গিয়েছিলেন বিচারপতি খায়রুল হক। দায়িত্ব যেখানে ছিল অবসরে যাওয়ার আগেই অন্য সকল বিচারপতির স্বাক্ষরসহ পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করে যাওয়া সেখানে তিনি নিজে স্বাক্ষর করতেই সময় নিয়েছিলেন দীর্ঘ ১৬ মাস তিনদিন।  তার স্বাক্ষরসংবলিত ৩৪২ পৃষ্ঠার রায়টি সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছেছিল ২০১২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর। এর মধ্যে একবার পাঠিয়েও রায়ের কপি ফেরৎ নিয়েছিলেন তিনি। বলা হয়, এই সুযোগে খায়রুল হক নাকি রায়ে অনেক পরিবর্তন করেছিলেন। সাবেক প্রধান বিচারপতির স্বাক্ষর দেয়ার অধিকারকে কেন্দ্র করে শুধু নয়, অমন কোনো রায়ের বৈধতা ও কার্যকারিতা নিয়ে তখনও গুরুতর প্রশ্ন ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। প্রশ্ন তুলেছিলেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছিলেন, অবসরে যাওয়ার পর রায়টিতে স্বাক্ষর দেয়ার এখতিয়ারই নেই সাবেক প্রধান বিচারপতির। স্বাক্ষর দিলে রায়টি বৈধতা হারাবে। 
এ ব্যাপারে খুবই সরাসরি কিছু কথা বলেছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী। গত ৯ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট বার অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির এক আলোচনা সভায় তিনি বলেছেন, অবসরে যাওয়ার পর কিংবা রাতের আঁধারে পূর্বঘোষিত রায়ের অর্ডার পোরশন বা মূল আদেশের পরিবর্তন আসলে ‘ফৌজদারি অপরাধ’। এটা কোনোভাবেই করা যাবে না। পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, অসমাপ্ত থেকে যাওয়া রায় লেখার জন্য এক মাস বা কাছাকাছি একটা সময় বেঁধে দেয়া যেতে পারে। তাহলে আর ওই রায় লেখা বেআইনি হবে না। কিন্তু রাতের আঁধারে রায় লিখতে গিয়ে যারা মূল আদেশ বা অর্ডার পোরশন পরিবর্তন করেন তারা ‘ফৌজদারি অপরাধ’ করেন। বর্তমানে সেটাই করা হচ্ছে। আর সে কারণেই প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা অবসরে যাওয়ার পর রায় লেখার ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। 
আইনাঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা বলেছেন, অবসরে যাওয়ার পর রায় লেখার বিষয়ে বর্তমান প্রধান বিচারপতির নেয়া অবস্থানের পক্ষে রাখা বক্তবের পাশাপাশি সাবেক এ প্রধান বিচারপতির মূল কথাগুলোর সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করার সুযোগ নেই। এখানে বিশেষ করে ‘রাতের আঁধারে’ পূর্বঘোষিত রায়ের অর্ডার পোরশন বা মূল আদেশের পরিবর্তনকে ‘ফৌজদারি অপরাধ’ হিসেবে চিহ্নিত করার কথা উল্লেখ করা দরকার। কারণ, বিচারপতি এস কে সিনহার পূর্ববর্তী প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের এমন একটি আদেশের সূত্র ধরেই দেশে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি ও ঘনীভূত হয়েছে। ওই রায়টিকে অজুহাত বানিয়ে ক্ষমতাসীনরা সংবিধানে যথেচ্ছভাবে কাটাছেঁড়া করেছেন। একই কারণে সাবেক প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যেখানে এ ধরনের কার্যক্রম তথা পরিবর্তনকে তিনি ‘ফৌজদারি অপরাধ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। বিচারপতি মাহমুদুল আমিন চৌধুরীর বক্তব্যের আলোকে বিচারপতি খায়রুল হকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয় কি না তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কারণ, এর সঙ্গে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর বিষয়টি জড়িত রয়েছে- আইনের ব্যাখ্যায় যে সংশোধনী করা হয়েছে একটি ‘ফৌজদারি অপরাধ’কে ভিত্তি বানিয়ে।
এখানে প্রসঙ্গক্রমে বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক সম্পর্কে কিছু তথ্যের উল্লেখ করতেই হবে। পঞ্চদশ সংশোধনীর জন্য রাস্তা তৈরি করার আগে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী সংক্রান্ত রায়ের মাধ্যমে তিনি ঝামেলা পাকিয়েছিলেন। ওই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে রাজনীতিক ও বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি আইনজীবী সমিতির নেতারাও বলেছিলেন, পূর্ণাঙ্গ রায়ের পরিবর্তে স্ববিরোধিতাপূর্ণ সংক্ষিপ্ত আদেশ দিয়ে বিচারপতি খায়রুল হক বিভ্রান্তি ও সংশয়ের সৃষ্টি করেছিলেন। রায়টিতে কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা বাতিল ঘোষণার পাশাপাশি তিনি বলেছিলেন, পরবর্তী দুটি নির্বাচন কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে হতে পারে। রায়ের এই অংশকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। অন্য কিছু উদাহরণ দিতে গিয়ে আইনজীবী নেতারা বলেছিলেন, দু-একটি ডিভিশন বেঞ্চ কখনো কখনো সরকারের বিরুদ্ধে রায় দিলেও প্রধান বিচারপতি হিসেবে খায়রুল হক তাৎক্ষণিকভাবে সে সব বেঞ্চের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছেন। সিনিয়র ও দক্ষ বিচারপতিদের বসিয়ে রেখে জুনিয়র এবং স্থায়ীভাবে নিয়োগ না পাওয়া বিচারপতিদের দিয়ে বেঞ্চ গঠনের মাধ্যমে বিচার বিভাগে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টির অভিযোগও উঠেছিল খায়রুল হকের বিরুদ্ধে। 
আর একটি তাৎপর্যপূর্ণ তথ্য হলো, বিচারপতি খায়রুল হকের সময়ই অতীতের সব ঐতিহ্য ক্ষুণœ করে সর্বোচ্চ আদালতে রায়ট পুলিশ ও দাঙ্গা পুলিশসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর প্রবেশ ঘটেছিল। পূববর্তী প্রধান বিচারপতি যে দু’জনের শপথ পড়াতে অস্বীকার করেছিলেন, বিচারপতি খায়রুল হক প্রধান বিচারপতি হওয়ার পরপরই সে দু’জনকে শপথ পড়িয়ে বিচারপতি বানিয়েছিলেন। এর ফলে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ ক্ষমতাসীন দলের দু’জন নেতা অন্তত পঞ্চাশজনকে ডিঙ্গিয়ে বিচারপতি পদে নিযুক্তি পেয়েছিলেন। তাছাড়া ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে দায়ের করা বিভিন্ন মামলা নিষ্পত্তি করার পরিবর্তে ২০০৯ ও ২০১০ সালে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক হয়রানির উদ্দেশ্যে দায়ের করা মিথ্যা মামলাগুলোর ক্ষেত্রেও বিচারপতি খায়রুল হক আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষে ভূমিকা পালন করেছেন। 
এ ব্যাপারে সরাসরি কিছু কথা শুনিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্ট সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। তিনি বলেছেন, বিচারপতি খায়রুল হক আওয়ামী লীগের ‘প্রতিনিধিত্ব’ করেছেন। তার সময়ে আপিল বিভাগকে আওয়ামী লীগ সরকারের অংশে পরিণত করা হয়েছিল। খন্দকার মাহবুব হোসেন আরো বলেছিলেন, সংবিধান ‘ল-ভ-’ করলেও বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হত্যাকারী চতুর্থ সংশোধনীর বিষয়ে একটি শব্দও উচ্চারণ করেননি তিনি। এখানেই বিচারপতি খায়রুল হকের ‘মতলবটা’ পরিষ্কার হয়েছে। অত্যন্ত ‘ঠা-ামাথায়’ তিনি বিচার বিভাগকে ‘খুন’ করে ফেলেছেন। 
শুনতে কঠোর মনে হলেও এভাবে পর্যালোচনায় দেখা যাবে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভিন্ন রায়ের মাধ্যমে আসলেও মিস্টার খায়রুল হক ‘অত্যন্ত নিষ্ঠা ও শতভাগ আন্তরিকতার সঙ্গে’ আওয়ামী লীগ সরকারের ‘প্রতিনিধিত্ব’ করেছিলেন। তার মতো বিচারপতিদের কারণেই রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগোনোর পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সরকার ন্যক্কারজনকভাবে হস্তক্ষেপের মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নস্যাৎ করতে এবং বিচার বিভাগকে সরকারের সেবাদাস বানিয়ে ফেলতে পেরেছে। ব্যক্তিগতভাবে মিস্টার খায়ররুল হককেও অবশ্য যথেষ্টই দিয়েছে সরকার।
এই প্রধান বিচারপতি কিন্তু ‘ক্লিন ইমেজ’ নিয়ে বিদায় নিতে পারেননি। বিদায়ের আগে প্রচলিত নিয়মে ‘ফেয়ারওয়েল’ও পাননি তিনি। ২০১১ সালের ১৬ মে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি তাকে বরং ‘গায়েবানা সংবর্ধনা’ দিয়েছিল- যেভাবে সাধারণত দূরে কোথাও মৃত কোনো মুসলমানের গায়েবানা জানাজা পড়া হয়। বিষয়টি অসম্মানজনক তো ছিলই, মিস্টার খায়রুল হককেও মহিমান্বিত করেনি।
এসব তথ্যের আলোকে বলা যায়, দেশের বিচার বিভাগকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে আসার পেছনে সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক আসলেও ‘ঐতিহাসিক অবদান’ রেখে গেছেন! মূলত তার এ ‘অবদানের’ কারণেই দেশের বিচার বিভাগকে নিয়ে সংশয় ও জিজ্ঞাসার সৃষ্টি হয়েছে। এ যেন এক সুচিন্তিত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা।
পাঠকদের মনে পড়তে পারে, ১৯৯৬-২০০১ সময়কালে মন্ত্রীদের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সর্বোচ্চ আদালতের মাননীয় বিচারপতিদের বিরুদ্ধে লাঠি মিছিল করেছিল। সে সময় শীর্ষ আওয়ামী আইনজীবীরা মাননীয় প্রধান বিচারপতির চেম্বারের দরজায় লাথি পর্যন্ত মেরেছিলেন। ‘রেওয়াজের’ আড়াল নিয়ে জনা কয়েককে দিয়ে ‘ধামা’ও ধরানো হচ্ছে। ময়দানে হাজির হচ্ছেন মাস কয়েক আগে অবসরে যাওয়া বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের মতো দ্বৈত তথা অন্য দেশের নাগরিক ও মিথ্যা তথ্য দানকারীরাও। সমগ্র এ প্রেক্ষাপটেই সাবেক প্রধান বিচারপতি মাহমুদুল আমিন চৌধুরী বিচার বিভাগ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে গেছে। বিচার বিভাগকে বাঁচাতে চাইলে এখনো সময় আছে, আন্দোলন করুন। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য বর্তমান প্রধান বিচারপতি যে অবস্থান নিয়েছেন তার প্রতি সমর্থন জানানোর জন্যও তিনি আইনজীবীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। কারণ জানাতে গিয়ে বলেছেন, প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা বিচার বিভাগকে সঠিক রাস্তায় নেয়ার চেষ্টা করছেন। সমর্থন পেলে তিনি হয়তো সিস্টেমটা চালু করে যেতে পারবেন। বলা বাহুল্য, আইনজীবীদের তো বটেই, রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি সকল নাগরিকেরও উচিত এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে বিচার বিভাগকে বাঁচানোর আন্দোলনে অংশ নেয়া।
আশিকুল হামিদ 

0 comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Ads